কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
3% off
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডার
কারকুমা বিটরুট পাউডারের উপকরণসমূহ

সরাসরি প্রাকৃতিক নন-জিএমও বিটরুট থেকে তৈরি ‘কারকুমা বিটরুট পাউডার’ শতভাগ নিরাপদ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। এতে রয়েছে হাই-ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান যেমন আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাংগানিজ ইত্যাদি। 

কারকুমা বিটরুট পাউডার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে প্রস্তুতকৃত একটি বিশুদ্ধ পণ্য। এতে নেই কোনো প্রিজারভেটিভ, ক্ষতিকর কীটনাশক, কৃত্রিম রঙ, সুগন্ধি বা মিষ্টিকারক। প্রতিটি চামচে রয়েছে বিশুদ্ধ বিটরুটের গুণ, যা অ্যাকটিভ লাইফস্টাইলের জন্য শরীরকে দেয় ভেতর থেকে শক্তি ও সতেজতা।

কারকুমা বিটরুট পাউডারের উপকারিতা

হার্ট সুস্থ রাখতে সহায়কঃ বিটরুট পাউডারে থাকা নাইট্রেট শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপ নেয়, যা রক্তনালীকে শিথিল ও প্রশস্ত করে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপে ভোগা মানুষের জন্য এটি কার্যকর। এছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ হার্টের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে হার্টকে সুরক্ষা দেয়।

শরীরচর্চা ও ব্যায়ামের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়কঃ বিটরুট পাউডার নিয়মিত খেলে শরীরের সহনশীলতা ও ব্যায়াম করার ক্ষমতা বাড়ে। এতে থাকা নাইট্রেট রক্তনালী শিথিল করে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ফলে ব্যায়ামের সময় শরীরে সঠিকভাবে অক্সিজেন সরবরাহ হয়, পেশির কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়, দেরিতে ক্লান্তি আসে এবং দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করা যায়।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ও ত্বকের সুরক্ষা বজায় রাখতে সহায়কঃ বিটরুট পাউডার ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন (বিশেষ করে ভিটামিন সি), বেটালেইন ও পলিফেনলে সমৃদ্ধ। এগুলো শরীরকে ক্ষতিকারক ফ্রী রেডিকেল থেকে সুরক্ষা দেয়, প্রদাহ কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং ত্বককে করে স্বাস্থ্যকর ও দীপ্তিময়। নিয়মিত সেবনে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ে, ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায় এবং বলিরেখা হ্রাস পায়।

হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়কঃ উচ্চ ফাইবারসমৃদ্ধ বিটরুট পাউডার সুস্থ হজম প্রক্রিয়া বজায় রাখে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে, অন্ত্রের গতি স্বাভাবিক করে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। এছাড়া বিটে থাকা বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ অন্ত্রের প্রদাহ কমায় ও সামগ্রিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যে সহায়তা করে।

দেহে ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া উন্নত করেঃ বিটরুট পাউডারে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বেটালেইন ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং শরীর থেকে বর্জ্য বের করে দিতে সাহায্য করে। নিয়মিত সেবনে শরীরের প্রাকৃতিক ডিটক্স সিস্টেম সক্রিয় থাকে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সুস্থ থাকে।

সেবনবিধি

প্রতিদিন ১–২ চা চামচ (বা স্বাদমতো) পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আমাদের পন্যে কোন প্রকার সুগন্ধি, রঞ্জক, মিষ্টিকারক ইত্যাদি দ্রব্য যুক্ত করা হয়নি।

সংরক্ষণ পদ্ধতি

সূর্যালোক থেকে দূরে শীতল ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।

অ্যাকটিভ লাইফের স্মার্ট চয়েস

কারকুমা বিটরুট পাউডার

প্রাকৃতিক বিশুদ্ধ উৎস থেকে আমদানিকৃত বিটরুটকে ফ্রিজ ড্রায়িং প্রক্রিয়ায় ড্রাই এবং গুঁড়ো করে তৈরি করা কারকুমা বিটরুট পাউডারে থাকে বিটরুটের আসল রং, স্বাদ ও পুষ্টি। এটি রক্তপ্রবাহ বাড়াতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

হার্টের যত্ন শুরু হোক প্রকৃতির শক্তিতে। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবন, হাঁটা, ব্যায়াম কিংবা শরীরচর্চায় ফিরে আসুক আগের সেই এনার্জি, সহনশীলতা ও সতেজতা।

Production Facility

Product

Size
কারকুমা বিটরুট পাউডারের উপকরণসমূহ

সরাসরি প্রাকৃতিক নন-জিএমও বিটরুট থেকে তৈরি ‘কারকুমা বিটরুট পাউডার’ শতভাগ নিরাপদ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। এতে রয়েছে হাই-ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান যেমন আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাংগানিজ ইত্যাদি। 

কারকুমা বিটরুট পাউডার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে প্রস্তুতকৃত একটি বিশুদ্ধ পণ্য। এতে নেই কোনো প্রিজারভেটিভ, ক্ষতিকর কীটনাশক, কৃত্রিম রঙ, সুগন্ধি বা মিষ্টিকারক। প্রতিটি চামচে রয়েছে বিশুদ্ধ বিটরুটের গুণ, যা অ্যাকটিভ লাইফস্টাইলের জন্য শরীরকে দেয় ভেতর থেকে শক্তি ও সতেজতা।

কারকুমা বিটরুট পাউডারের উপকারিতা

হার্ট সুস্থ রাখতে সহায়কঃ বিটরুট পাউডারে থাকা নাইট্রেট শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপ নেয়, যা রক্তনালীকে শিথিল ও প্রশস্ত করে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপে ভোগা মানুষের জন্য এটি কার্যকর। এছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণ হার্টের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে হার্টকে সুরক্ষা দেয়।

শরীরচর্চা ও ব্যায়ামের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়কঃ বিটরুট পাউডার নিয়মিত খেলে শরীরের সহনশীলতা ও ব্যায়াম করার ক্ষমতা বাড়ে। এতে থাকা নাইট্রেট রক্তনালী শিথিল করে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ফলে ব্যায়ামের সময় শরীরে সঠিকভাবে অক্সিজেন সরবরাহ হয়, পেশির কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়, দেরিতে ক্লান্তি আসে এবং দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করা যায়।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ও ত্বকের সুরক্ষা বজায় রাখতে সহায়কঃ বিটরুট পাউডার ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন (বিশেষ করে ভিটামিন সি), বেটালেইন ও পলিফেনলে সমৃদ্ধ। এগুলো শরীরকে ক্ষতিকারক ফ্রী রেডিকেল থেকে সুরক্ষা দেয়, প্রদাহ কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং ত্বককে করে স্বাস্থ্যকর ও দীপ্তিময়। নিয়মিত সেবনে কোলাজেন উৎপাদন বাড়ে, ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি পায় এবং বলিরেখা হ্রাস পায়।

হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়কঃ উচ্চ ফাইবারসমৃদ্ধ বিটরুট পাউডার সুস্থ হজম প্রক্রিয়া বজায় রাখে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে, অন্ত্রের গতি স্বাভাবিক করে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। এছাড়া বিটে থাকা বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ অন্ত্রের প্রদাহ কমায় ও সামগ্রিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যে সহায়তা করে।

দেহে ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া উন্নত করেঃ বিটরুট পাউডারে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বেটালেইন ও ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট লিভারের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং শরীর থেকে বর্জ্য বের করে দিতে সাহায্য করে। নিয়মিত সেবনে শরীরের প্রাকৃতিক ডিটক্স সিস্টেম সক্রিয় থাকে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সুস্থ থাকে।

সেবনবিধি

প্রতিদিন ১–২ চা চামচ (বা স্বাদমতো) পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আমাদের পন্যে কোন প্রকার সুগন্ধি, রঞ্জক, মিষ্টিকারক ইত্যাদি দ্রব্য যুক্ত করা হয়নি।

সংরক্ষণ পদ্ধতি

সূর্যালোক থেকে দূরে শীতল ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।

কারকুমা বিটরুট পাউডার কেন এটি আপনার দৈনন্দিন লাইফস্টাইলের অংশ হওয়া উচিত?

যারা নিজের শরীরকে অ্যাকটিভ রাখতে চান, তাদের দৈনন্দিন খাবারে প্রাকৃতিক শক্তির উৎস থাকা জরুরি। নিয়মিত কারকুমা বিটরুট পাউডার সেবন সেই প্রাকৃতিক শক্তিকে সহজভাবে রুটিনে নিয়ে আসে।
  • সরাসরি প্রাকৃতিক নন-জিএমও বিটরুট থেকে তৈরি
  • ফ্রিজ ড্রায়িং বা কুল প্রসেসে ড্রাই করা, যাতে রং, স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে
  • পানির সাথে মিশিয়ে, স্মুদি বা রেসিপিতে সহজেই ব্যবহারযোগ্য
  • দৈনন্দিন জীবনে শক্তি, সতেজতা ও ব্যালান্স এনে দেয়

কারকুমা বিটরুট পাউডার একটি স্মার্ট ও অ্যাকটিভ লাইফস্টাইলের অংশ

হার্টের যত্নে বিটরুট কেন গুরুত্বপূর্ণ?

হার্ট সুস্থ রাখতে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে প্রাকৃতিক উপাদান যোগ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিটরুট তার প্রাকৃতিক নাইট্রেটের জন্য পরিচিত, যা শরীরের ভেতরে গিয়ে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়। এই প্রক্রিয়াটি রক্তপ্রবাহকে স্বাভাবিক রাখতে এবং রক্তনালীর স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

তাই বিশ্বজুড়ে অনেক মানুষ হার্ট-ফ্রেন্ডলি লাইফস্টাইলের অংশ হিসেবে বিটরুট বা বিটরুট পাউডারকে প্রতিদিনের রুটিনে যুক্ত করছেন। কারকুমা বিটরুট পাউডার তৈরি করা হয়েছে ১০০% প্রাকৃতিক বিটরুট থেকে।

কারকুমা বিটরুট পাউডার

অ্যাকটিভ লাইফস্টাইলের রুটিনে একটি সহজ সংযোজন

কারকুমা বিটরুট পাউডারের প্রতি ১০০ গ্রামে
  • এনার্জি (কিলোক্যালরি)

    ৩৭৫.০০

  • কার্বোহাইড্রেট (গ্রাম)

    ৯৩.৬১

  • সুগার (গ্রাম)

    ৫১.৩৫

  • প্রোটিন (গ্রাম)

    ০৩.১২

  • ফ্যাট (গ্রাম)

    ০.০৬

  • স্যাচুরেটেড ফ্যাট (গ্রাম)

    ০.০৩২

  • সল্ট (মিলিগ্রাম)

    ৬৫০.০০

কারকুমা বিটরুট পাউডারের উপকরণসমূহ:

সরাসরি প্রাকৃতিক নন-জিএমও বিটরুট থেকে তৈরি ‘কারকুমা বিটরুট পাউডার’ শতভাগ নিরাপদ ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। এতে রয়েছে হাই-ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান যেমন আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাংগানিজ ইত্যাদি। 

সেবনবিধি: প্রতিদিন ১–২ চা চামচ (বা স্বাদমতো) পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আমাদের পন্যে কোন প্রকার সুগন্ধি, রঞ্জক, মিষ্টিকারক ইত্যাদি দ্রব্য যুক্ত করা হয়নি।

সংরক্ষণ পদ্ধতি
সূর্যালোক থেকে দূরে শীতল ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।

বিশ্বাসযোগ্যতা ও মানের নিশ্চয়তা

কারকুমা বিটরুট পাউডার কেন ভরসাযোগ্য

১০০% ন্যাচারাল, নন-জিএমও বিটরুট থেকে তৈরি

বিশুদ্ধ উৎস থেকে সংগৃহীত, কোনো জেনেটিক পরিবর্তন ছাড়াই।

কোনো প্রিজারভেটিভ বা কৃত্রিম উপাদান নেই

এতে নেই কীটনাশক, কৃত্রিম রং, সুগন্ধি বা মিষ্টিকারক।

সার্টিফায়েড ফ্যাসিলিটিতে হাইজেনিক প্যাকেজিং

আমদানিকৃত বিটরুট আমাদের নিজস্ব USDA Organic, Codex GMP ও ISO 22000 সার্টিফায়েড ফ্যাক্টরিতে নিরাপদভাবে প্যাক করা হয়।

গ্লাস জার প্যাকেজিং

স্বাদ ও পুষ্টিগুণ দীর্ঘদিন অক্ষুণ্ণ রাখতে সহায়ক।

প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ

বিটরুট হাইগ্রোস্কোপিক হওয়ায় আর্দ্রতায় হালকা জমাট বাঁধা স্বাভাবিক; এতে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় না এবং পানিতে সহজেই গলে যায়।

দীর্ঘ শেল্ফ লাইফ

উৎপাদনের তারিখ থেকে ২ বছর পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য; ঠান্ডা, শুষ্ক স্থানে ও সূর্যালোক থেকে দূরে সংরক্ষণযোগ্য।

কারকুমা বিটরুট পাউডার সম্পর্কিত আপনার সাধারণ জিজ্ঞাসা

আমরা আপনার বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছি। তবুও যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করুন: +880 96 11 409 509

কারকুমা বিটরুট পাউডার কী ধরনের পণ্য?

 কারকুমা বিটরুট পাউডার প্রাকৃতিক বিটরুট থেকে তৈরি নিরাপদ ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন একটি পণ্য যা হার্টকে সুস্থ রাখতে, শরীরচর্চা ও ব্যায়ামের সক্ষমতা বাড়াতে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, ত্বকের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে , হজমশক্তি বাড়াতে এবং দেহে ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়া উন্নত করতে সহায়ক ।

কারকুমা বিটরুট পাউডার কীভাবে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা উচিত?

সুর্যালোক থেকে দূরে, ঠাণ্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুণ । 

কারকুমা বিটরুট পাউডার কি ১০০% বিটরুট থেকে তৈরি?

জী, এটি ১০০% ন্যাচারাল বিটরুট থেকে তৈরি । 

কারকুমা বিটরুট পাউডার কি কাঁচের জারে পাওয়া যায়?

জী কাঁচের জারে পাওয়া যায় । 

কারকুমা বিটরুট পাউডারটি কি দেশে উৎপাদিত নাকি আমদানিকৃত?

কারকুমা বিটরুট পাউডারটি আমদানিকৃত ।

কারকুমা বিটরুট পাউডারটি কোথায় প্যাক করা হয়?

কারকুমা বিটরুট পাউডারটি আমদানিকৃত যা আমরা আমাদের নিজস্ব উৎপাদন ব্যাবস্থায় প্যাকেজিং সম্পন্ন করে বাজারজাত করে থাকি । 

গর্ভবতী বা প্রসূতি মায়েরা কি কারকুমা বিটরুট পাউডার সেবন করতে পারেন?

জী পারবেন ।

প্যাকেট খোলার পর ক্লাইমেট বা আর্দ্রতা বাড়লে গঠনের পরিবর্তন বা জমাট বেধে যাওয়া স্বাভাবিক কি না?

বিটরুট স্বভাবগতভাবে হাইগ্রোস্কোপিক অর্থাৎ এটি সহজেই বাতাসের আর্দ্রতা শোষণ করে । এটি খুবই স্বাভাবিক । এতে বিটরুটের পুষ্টিগুণের কোনো পরিবর্তন হয় না ।  পানির সাথে মিশালে এটি মিশে যায় এবং স্বাভাবিক বিটরুট জুসের আকার ধারন করে । তবে অবশ্যই বোতলের গায়ের সংরক্ষন পদ্ধতি মেনে সংরক্ষন করতে হবে । 

গ্রাহকরা কীভাবে নিশ্চিত হতে পারবেন যে কারকুমা বিটরুট পাউডারে জেনেটিকালি মডিফায়েড উপাদান নেই?

এর নন-জিএমও সার্টিফিকেট রয়েছে

কারকুমা বিটরুট পাউডার কি স্প্রে ড্রাই (Spray Dried) করা, না কুল প্রোসেসে ড্রাই করা হয়েছে? এতে পুষ্টিগুণে কোনো পার্থক্য হয় কি?

কারকুমা বিটরুট পাউডার ১০০% প্রাকৃতিক এবং এতে কোনো কৃত্রিম রং, স্বাদ, প্রিজারভেটিভ বা ক্ষতিকর কীটনাশক নেই। এটি বিশ্বখ্যাত ও বিশ্বস্ত উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং কুল প্রসেসের মাধ্যমে ড্রাই করা হয় এবং গুঁড়ো করা হয়। এই কোমল প্রক্রিয়াটি বিটরুটের ন্যাচারাল রং, স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রেখে এটিকে করে তোলে অধিক নিরাপদ এবং কার্যকরী । অন্যদিকে, প্রচলিত যেসব ড্রাইং প্রক্রিয়া রয়েছে তাতে অতিরিক্ত তাপ ব্যবহার করা হয় ফলে পুষ্টিগুণ অনেকাংশে হ্রাস পায় ।

কারকুমা বিটরুট পাউডার কি নিজস্ব ফ্যাক্টরিতে প্যাকেজিং করা হয়? উৎপাদন ও প্যাকেজিং কারখানার অনুমোদন ও সার্টিফিকেশন (যেমন GMP, ISO) আছে কি?

কারকুমা বিটরুট পাউডারটি আমদানিকৃত যা আমরা আমাদের নিজস্ব উৎপাদন ব্যাবস্থায় প্যাকেজিং সম্পন্ন করে বাজারজাত করে থাকি । আমাদের ব্যাবস্থাপনাটি USDA অর্গানিক, Codex GMP, ISO 22000 সার্টিফাইড ।

শিশুদের খাবারে ব্যবহার করা যাবে কি? কোন বয়স থেকে নিরাপদ?

জি যাবে, সব বয়সীদের জন্য নিরাপদ ।

দৈনিক কত পরিমাণ নেওয়া উচিত?

দৈনিক ১-২ চামচ অথবা স্বাদ অনুযায়ী পানির সাথে মিশিয়ে সেবন করা যেতে পারে । 

কারকুমা বিটরুট পাউডার কি নন‑জিএমও (Non‑GMO) প্রোডাক্ট?

জী এটি নন-জিএমও সার্টিফাইড ।

পণ্যটির মেয়াদ (shelf life) কতদিন?

উৎপাদনের তারিখ থেকে ২ বছর ।

রান্না বা সালাদ ড্রেসিং-এ কি ব্যবহার করা যায়?

জী যাবে । 

বোতল খোলার পরে কি রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করতে হবে?

না রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করা জরুরী নয় । 

রোজা বা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং চলাকালে কি সেবন করা যাবে?

 জী, রোজা বা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং চলাকালে সেবন করা যাবে । 

বেকিং বা অন্যান্য রান্নার রেসিপিতে কি ব্যবহার করা যায়?

জী পারবেন । 

কারকুমা বিটরুট পাউডার কি ভেগান বা ভেজিটেরিয়ানদের জন্য উপযুক্ত?

জী উপযুক্ত ।

কারকুমা বিটরুট পাউডারে কোনো প্রিজারভেটিভ, কীটনাশক, রঞ্জক আছে?

জী না, প্রিজারভেটিভ, কীটনাশক, সুগন্ধি, রঞ্জক, মিষ্টিকারক যুক্ত করা হয়নি । 

কারকুমা বিটরুট পাউডার কি শরীরচর্চা ও ব্যায়ামের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক?

জী সহায়ক, এতে থাকা প্রাকৃতিক নাইট্রেট শরীরের মধ্যে নাইট্রিক অক্সাইডে রুপান্তরিত হয়ে শরীরে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে ফলে শরীরচর্চা ও ব্যায়ামের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হয় ।